সিলেটের ওসমানীনগরে দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়ে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন অন্তত ১৩ জন।
শুক্রবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর এলাকার কাশিকাপন অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জানান, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিন বছর বয়সী শিশু ফাইজা এবং তিতন (২২) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে ঘটনাস্থলে সাতজন নিহত হন।
ঘটনাস্থলে নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁরা হলেন কিশোরগঞ্জের ঢুলিয়ারপাড় এলাকার লক্ষ্মীপুর গ্রামের হাজী শফিক উদ্দিনের ছেলে হাজী মঈনুল ইসলাম (৫৫) এবং সিলেট নগরের সোবহানীঘাট এলাকার প্রীতম দাশ (২২)। অন্য নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন ওয়াব (৪৫), মনসুর (৩৪), আতিকুল ইসলাম (৪৮), বাবুল (৪০), মফিজ মিয়া (৫৫), সাজিদ নুর (৪৫), নুরুন্নাহার (৪০), মুক্তার হোসেন (৬৫), জাহাঙ্গীর (২৮), আফজল (৩০), আফরোজা (৩৮), মন্টু (৩০) ও রাজু (৫৫)।
শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ জানায়, শুক্রবার সকাল ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দয়ামীর এলাকার কাশিকাপন অংশে ঢাকা থেকে সিলেটগামী ইউনিক পরিবহনের একটি বাস এবং সিলেট থেকে ঢাকাগামী বেঙ্গল পরিবহনের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজন নিহত হন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজে অংশ নেন। আহতদের উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়।
শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
Leave a comment