মিয়ানমার থেকে ইয়াবা পাচারের অন্যতম প্রধান রুট কক্সবাজারে মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশিক্ষিত কুকুর (ডগ স্কোয়াড) মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে পুলিশ। এ লক্ষ্যে কক্সবাজার পুলিশ একটি প্রস্তাব পুলিশ সদর দপ্তরে পাঠিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নতুন করে কুকুর সংগ্রহ না করে বর্তমানে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ও অন্যান্য ইউনিটে কর্মরত মাদক শনাক্তে প্রশিক্ষিত কুকুরগুলো থেকে বাছাই করে কক্সবাজারের জন্য একটি ‘কে-৯’ ইউনিট গঠন করা হবে।
প্রাথমিকভাবে কক্সবাজার বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন এবং মেরিন ড্রাইভ এলাকায় এসব কুকুরের মাধ্যমে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। মাদক পাচার ও পরিবহন শনাক্তে এ ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে পুলিশ।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, কক্সবাজারে মাদক প্রতিরোধে প্রশিক্ষিত কুকুর কীভাবে কাজে লাগানো যায়, সে বিষয়ে অনেক দূর অগ্রগতি হয়েছে। মাদকদ্রব্য যাতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে না পারে, সে বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সীমান্তবর্তী কক্সবাজারে ইয়াবা পাচার রোধে প্রযুক্তি ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইউনিট ব্যবহারের উদ্যোগ মাদকবিরোধী কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।
Leave a comment