আইজেএএনের প্রতিবেদন
আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল জিউইশ অ্যান্টি-জায়নিস্ট নেটওয়ার্ক (আইজেএএন)–এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েল প্রতিবছর ইসলামবিদ্বেষী, আরববিরোধী ও ফিলিস্তিনবিরোধী বিভিন্ন গোষ্ঠীকে অর্থায়নে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অর্থায়নের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের কার্যক্রম প্রভাবিত করা হয়। এর মধ্যে কিছু দেশে ইসলামবিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানকে উৎসাহিত করার অভিযোগও উল্লেখ করা হয়েছে।
আইজেএএন দাবি করেছে, এ ধরনের অর্থায়ন শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং বিভিন্ন অঞ্চলে জনমত প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামবিদ্বেষী বক্তব্য ও নীতিকে শক্তিশালী করতে নানা প্ল্যাটফর্মে এসব অর্থ ব্যবহার করা হচ্ছে।
তবে প্রতিবেদনে বাংলাদেশ–সংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো দল বা সংগঠনের নাম উল্লেখ করা হয়নি। এ ছাড়া স্বাধীনভাবে এসব দাবির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে রাজনৈতিক অর্থায়ন নিয়ে নানা ধরনের দাবি ও পাল্টা দাবি প্রায়ই উঠে আসে। এসব ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ ও নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে তথ্য যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয়। অতীতেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও পর্যবেক্ষক গোষ্ঠী দেশটির বৈদেশিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তবে ইসরায়েল সরকার এসব অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।
Leave a comment