দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় সড়ক নির্মাণকাজের সময় উপসহকারী প্রকৌশলী হামিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
প্রায় দেড় মিনিটের ওই ভিডিওতে ঠিকাদারপক্ষের এক ব্যক্তির সঙ্গে প্রকৌশলী হামিদুল ইসলামের কথোপকথন ও অর্থ লেনদেনের দৃশ্য দেখা যায় বলে দাবি করা হয়। ভিডিওতে বিভিন্ন পর্যায়ে ১ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থ নিয়ে কথাবার্তা ও লেনদেনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
তবে ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করা যায়নি।
এ বিষয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী হামিদুল ইসলাম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভিডিওটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি কি এক হাজার টাকা নেওয়ার প্লেয়ার? এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও সাজানো।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ঈদের আগে উপজেলার দিওড় ইউনিয়নের শোলাহার গ্রামে এডিবির অর্থায়নে ২৭৫ মিটার সিসি সড়কের কাজ চলাকালে ঘটনাটি ঘটে বলে দাবি করা হচ্ছে।
বিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলী আতাউর রহমান বলেন, ভিডিওটি তার নজরে এসেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং লিখিতভাবে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, সরকারি প্রকল্পে এভাবে অর্থ লেনদেনের কোনো সুযোগ নেই।
এ বিষয়ে ঠিকাদারপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Leave a comment