৬৪ রানে অলআউট হওয়ার পর বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর কাজটা কঠিনই ছিল। ব্যাটারদের ব্যর্থতার পর দলের সব আশা এখন বোলারদের ঘিরে। সেই দায়িত্ব বেশ ভালোভাবেই কাঁধে তুলে নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা। দ্বিতীয় সেশনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে লড়াই ফিরিয়েছে বাংলাদেশ।
চা বিরতিতে যাওয়ার আগে ৩ উইকেটে ৫০ রান করেছে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। স্টিভ স্মিথ ৬ ও ক্যামেরন গ্রিন ১ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনো ১৪ রানে পিছিয়ে অস্ট্রেলিয়া।
বাংলাদেশের হয়ে উইকেট শিকারের শুরুটা করেন তাসকিন আহমেদ। নতুন বলে আক্রমণাত্মক বোলিংয়ে প্রথম ধাক্কা দেন তিনি। এরপর নিজের প্রথম ওভারেই জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে আরও চাপে ফেলেন শরীফুল ইসলাম।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের জবাবে ট্রাভিস হেড ও ম্যাট রেনশোর ব্যাটে ওয়ানডে মেজাজেই শুরু করে অস্ট্রেলিয়া। তবে দলীয় ২২ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। তাসকিন আহমেদের বলে তামিম হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ১০ বলে ৮ রান করে ফেরেন রেনশো।
এরপর সপ্তম ওভারে প্রথমবার বল হাতে নিয়েই জোড়া আঘাত হানেন শরীফুল। নিজের প্রথম ওভারেই ট্রাভিস হেড ও মার্নাস লাবুশেনকে বোল্ড করেন তিনি। হেড ২৭ বলে ২২ রান করলেও লাবুশেন ফেরেন মাত্র ৪ রান করে।
দলীয় ৪১ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর স্টিভ স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিন দেখেশুনে দ্বিতীয় সেশন পার করেন। চা বিরতি পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৫০ রান।
এর আগে ম্যাকাইয়ে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে অস্ট্রেলিয়ার পেসার মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্সের বোলিং তোপে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৪ রান করেন শরীফুল ইসলাম। মেহেদী হাসান মিরাজ ১১, তাইজুল ইসলাম অপরাজিত ১১, হাসান মাহমুদ ১০, মুমিনুল হক ৯, মুশফিকুর রহিম ৫ ও তাসকিন আহমেদ ১ রান করেন।
অন্যদিকে সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস রানের খাতা খুলতে পারেননি।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে মিচেল স্টার্ক ১২ রানে ৬ উইকেট এবং অধিনায়ক প্যাট কামিন্স ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন।
Leave a comment