ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ডিগ্রি বিতর্ক নিয়ে নতুন করে সুর চড়িয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। প্রধানমন্ত্রী যদি জনসম্মুখে তাঁর আসল শিক্ষাগত সনদ প্রকাশ করেন, তবে অভিজিৎ নিজেও যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য পাওয়া স্কলারশিপ ও এডুকেশন লোনের (শিক্ষা ঋণ) যাবতীয় নথিপত্র প্রকাশ্যে আনবেন বলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।
গত ৩ আগস্ট (সোমবার) রাতে নিজের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ এই ক্ষুরধার মন্তব্য করেন। ভিডিও বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানান যে, তাঁর শিক্ষার অর্থায়ন কীভাবে হয়েছে তার প্রতিটি কাগজ তিনি দেখাত তৈরি, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কি নিজের ডিগ্রির কাগজ প্রকাশ্যে আনবেন?
মূলত সম্প্রতি সুরাটের এক তথ্য অধিকারকর্মী অভিজিৎ দীপকের বাবার আর্থিক লেনদেন ও সম্পত্তির তদন্ত দাবি করে প্রশ্ন তোলেন। অভিযোগ করা হয়, একজন অবসরপ্রাপ্ত সাধারণ সরকারি চাকরিজীবী হয়ে কীভাবে তিনি তাঁর ছেলেকে বিপুল অর্থ খরচ করে আমেরিকায় পড়াশোনা করতে পাঠালেন! এই অভিযোগের জবাবে অভিজিৎ জানান, তিনি বাবার টাকায় নয়, বরং নিজের মেধা ও ইউনিভার্সিটির স্কলারশিপ এবং অনুমোদিত ব্যাংক ঋণের মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা শেষ করেছেন।
উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদির স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে ভারতে দীর্ঘ দিন ধরেই বিরোধী রাজনৈতিক দল ও অধিকারকর্মীদের মধ্যে বিতর্ক রয়েছে। বিরোধীরা বরাবরই তাঁর ডিগ্রির সত্যতা প্রমাণের জন্য নথিপত্র জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়ে আসছেন। এই পরিস্থিতিতে দীপকের এমন মন্তব্য মোদির ডিগ্রি বিতর্ককে নতুন করে উসকে দিয়েছে।
Leave a comment