ভারতের উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে ৪০ বছর বয়সী এক নারী মনোরোগ বিশেষজ্ঞের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা।
নিহত চিকিৎসকের নাম ডা. হেমিকা আগরওয়াল। পরিবারের দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকেই তিনি গভীর মানসিক বিষণ্নতায় ভুগছিলেন।
গাজিয়াবাদ পুলিশের বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার রাজ নগর এক্সটেনশন এলাকার ‘অফিসার্স সিটি-২’ আবাসন থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় ডা. হেমিকাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্বজনরা জানান, দাম্পত্য সম্পর্কের ইতি টানার পর থেকেই তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটছিল।
ডা. হেমিকার বাবা ড. আর. চন্দ্র, যিনি গাজিয়াবাদের একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, পুলিশকে জানান, ১৮ মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদের পর থেকে তাঁর মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপ ও বিষণ্নতার সঙ্গে লড়াই করছিলেন।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য রেকর্ড করেছে। তবে ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। পুলিশ ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
Leave a comment