স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে দেশের প্রথম জাতীয় বেতন স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ছিল ১৩০ টাকা। ৫৩ বছর পর নবম জাতীয় বেতন স্কেলে সেই বেতন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার টাকা। একই সঙ্গে প্রথম গ্রেডের মূল বেতন প্রথমবারের মতো লাখের ঘর পেরিয়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা।
১৯৭৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো আটবার পরিবর্তন হয়েছে। নতুন পে-স্কেলে আগের মতো ২০টি গ্রেড রাখা হয়েছে। ২০তম গ্রেডে সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন কাঠামোয় ২০তম গ্রেডের বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধি। আর প্রথম গ্রেডের বেতন ৭৮ হাজার থেকে দ্বিগুণ হয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা হয়েছে।
১৯৭৩ সালের পর ১৯৭৭, ১৯৮৫, ১৯৯১, ১৯৯৭, ২০০৫, ২০০৯ ও ২০১৫ সালে বেতন কাঠামো পরিবর্তন করা হয়। ২০১৫ সালের অষ্টম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ৪ হাজার ১০০ থেকে বেড়ে ৮ হাজার ২৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন ৪০ হাজার থেকে ৭৮ হাজার টাকা হয়েছিল।
নতুন পে-স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হলেও মূল বেতন তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন হারে বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
সরকারের হিসাবে, নতুন বেতন কাঠামোর ফলে প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগী উপকৃত হবেন। পুরো স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা।
Leave a comment