পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্প এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপনকালে মন্ত্রী বলেন, গত ১৬ বছরে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগের অধীনে এই তিনটি মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার ১৬১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, যা চার দফায় বৃদ্ধি পায়। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ছিল ৮ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, যা দুই দফায় বাড়ানো হয়।
অন্যদিকে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৬ হাজার ৯০১ কোটি ৩২ লাখ টাকা, যা এক দফায় বৃদ্ধি পায়। মন্ত্রী জানান, এসব প্রকল্পে সম্ভাব্য অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতোমধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে এবং তা চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান, প্রকল্পগুলোর ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
Leave a comment