তূর্য, খুবি প্রতিনিধি
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি আবাসিক হলে আয়োজিত ভোজ ও স্মরণানুষ্ঠান সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট হলের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংযুক্ত শিক্ষকরা অংশ নেন। আয়োজনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে খাবারের মান বা ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে পাঁচটি হলের প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেন। দুপুর থেকে প্রতিটি হলে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি দেখা যায়। ভোজকে ঘিরে ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। নির্ধারিত মেনুতে ছিল পোলাও, মুরগির রোস্ট, ডিম, মিষ্টি ও কোমল পানীয়।
অপরাজিতা হলের শিক্ষার্থী সাদিয়া ইসলাম বলেন, ‘আয়োজনটি খুবই সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে হয়েছে। খাবারের মানও ভালো ছিল। সবচেয়ে ভালো লেগেছে, বিভিন্ন বর্ষ ও বিভাগের শিক্ষার্থীদের একসঙ্গে অংশ নেওয়ার সুযোগ হয়েছে।’
বিজয়–২৪ হলের শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার বলেন, ‘শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো আয়োজন সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়েছে। খাবার নিয়েও কারও মধ্যে অসন্তোষ দেখিনি। এমন আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্প্রীতি আরও বাড়াবে।’
প্রভোস্ট কাউন্সিলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. খশরুল আলম বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং মানসম্মত খাবার পরিবেশন করা। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া আমাদের উৎসাহিত করেছে। কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংযুক্ত শিক্ষকদের উপস্থিতিও এ আয়োজনকে আরও অর্থবহ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে এ ধরনের ইতিবাচক কর্মসূচি আয়োজনের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’
Leave a comment