পঞ্চগড়ে ঘরের বেড়া কেটে ভেতরে ঢুকে এক মামী ও তার ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) রাতে দেবীগঞ্জ থানায় ভুক্তভোগী ভাগনির বাবা মামলাটি করেন।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ মে রাতে দুই নারী বোদা উপজেলার বড়শশী ইউনিয়নে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখতে যান। অনুষ্ঠান শেষে দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের অমরখানা এলাকায় ফিরে নিজেদের বাড়িতে তালাবদ্ধ অবস্থা দেখতে পান। পরে তারা আশ্রয়ণ প্রকল্পের একটি বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় এক প্রতিবেশী ব্যাটারিচালিত ভ্যানের ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে কয়েকজন যুবককে সেখানে ডেকে আনেন। পরে কয়েকজন ঘরের বেড়া কেটে ভেতরে ঢুকে ভাগনিকে ধর্ষণ করেন। একই সময় বাড়ির পাশের একটি স্থানে মামীকেও ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরদিন (১ জুন) দুই নারীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে দুই নারী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় মেডিকেল আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম মালেক বলেন, এ ঘটনায় তিনজন নামীয় ও চারজন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে
Leave a comment