ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। লিখিত পরীক্ষায় বাদ পড়া এবং পাশের নান্দাইল উপজেলার বাসিন্দাদেরও চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় প্রার্থীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ১২৬ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের জন্য লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষা নেওয়া হয়। গত সোমবার (১০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়।
ফল প্রকাশের পর কয়েকজন প্রার্থী অভিযোগ করেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় অংশ না নেওয়া এবং ব্যবহারিক পরীক্ষার তথ্য জমা না দেওয়া ব্যক্তিদেরও চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়েছে। পাশাপাশি নান্দাইল উপজেলার কয়েকজন বাসিন্দাকেও ঈশ্বরগঞ্জের প্রার্থী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, তিন ধাপের পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েও অনেক প্রার্থীকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
জাটিয়া ইউনিয়নের এক পরীক্ষার্থী বলেন, তিনি লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক—তিনটি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। এরপরও তাকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে। তার অভিযোগ, লিখিত পরীক্ষায় বাদ পড়া কয়েকজনের নাম চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে।
আঠারবাড়ী ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পরীক্ষার্থী বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় শিক্ষিত তরুণদের দিয়ে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের কথা থাকলেও নান্দাইলের বাসিন্দাদেরও চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়েছে। এতে স্থানীয় যোগ্য প্রার্থীরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয়দের দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীদের অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Leave a comment