যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি । ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তাকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, জানাজা শেষে খামেনির মরদেহ তার নিজ শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। পাশাপাশি রাজধানীতে বৃহৎ পরিসরে গণশোক অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতিও চলছে। তবে জানাজা ও দাফনের নির্দিষ্ট তারিখ-সময় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ইরান সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে চূড়ান্ত বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, ওই হামলায় খামেনি ও তার কয়েকজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী নিহত হন। নিহতদের তালিকায় সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সচিব আলি শামখানি ও ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোরের নামও উল্লেখ করা হয়েছে।
শনিবার খামেনির বাসভবনের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে আল জাজিরা । প্রকাশিত ছবিতে ভবনের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে। চারপাশে বিস্ফোরণের চিহ্নও স্পষ্ট ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে হামলার ধরন, ব্যবহৃত অস্ত্র বা লক্ষ্যবস্তুর বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
মাশহাদ ইরানের অন্যতম ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ শহর। এটি শিয়া মুসলিমদের জন্য পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত এবং দেশটির রাজনৈতিক-ধর্মীয় ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। খামেনির জন্মও এ শহরে হওয়ায় তাকে সেখানে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত প্রতীকী গুরুত্ব বহন করছে বলে বিশ্লেষকদের মত।
Leave a comment