সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতা দীপু মনির স্বামী, সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী তৌফিক নেওয়াজের প্রয়াণের পর তাঁর প্যারোলে মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কারাবন্দি দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির আবেদন জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম।
বুধবার সকালে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আবেদন পেশ করার কথা রয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে দীপু মনি বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ কারাগারে বন্দি রয়েছেন।
পারিবারিক ও চিকিৎসাসূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মারাত্মক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন ৭৬ বছর বয়সী তৌফিক নেওয়াজ। কিডনি ও লিভারের জটিলতার পাশাপাশি ২০১৯ সালে তিনি হৃদরোগেও আক্রান্ত হন। সোমবার রাতে শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি ঘটলে তাঁকে দ্রুত রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীকালে সেখানে মঙ্গলবার রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম জানান, প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে জেলা প্রশাসকের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। অনুমোদন মিললে তিনি স্বামীর শেষকৃত্যানুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। পেশাগত জীবনের বাইরে ধ্রুপদী সংগীত অনুরাগী হিসেবে সুপরিচিত তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও দাফনের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এর আগেও তৌফিক নেওয়াজের গুরুতর অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে দীপু মনির সাত দিনের প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেছিলেন তাঁর কন্যা তানি দীপাবলী নেওয়াজ। এছাড়া, উচ্চ আদালত থেকে কয়েকটি মামলায় জামিন পেলেও ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জের একাধিক মামলায় অভিযুক্ত থাকায় তাঁর কারামুক্তি সম্ভব হয়নি।
Leave a comment