বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বি-পাক্ষিক কূটনীতি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার অংশ হিসেবে যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের সার্বিক কার্যক্রম ও অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্যের কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তথ্য উপদেষ্টা জানান, আঞ্চলিক জোট বিমসটেকের বর্তমান সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। এর পাশাপাশি ভারতের তরফ থেকে আলাদাভাবেও প্রধানমন্ত্রীকে সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি মন্তব্য করেন, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বন্ধু পরিবর্তন করা গেলেও প্রতিবেশীকে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ফলে পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা করেই দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত থাকবে।
দুই দেশের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর যোগাযোগের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর এক জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি বর্তমানে ঢাকা সফরে রয়েছেন। দুই দেশের গোয়েন্দা প্রধানদের মধ্যকার এই বৈঠক কোনো গোপন বিষয় নয় বরং স্বাভাবিক প্রক্রিয়ারই অংশ।
সংবাদ সম্মেলনে দেশের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদার বিষয়টি স্পষ্টভাবে তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, বিগত ১৭ বছরের চিরাচরিত প্রথার বাইরে গিয়ে এবার সমতা ও আত্মমর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে নতুন কূটনৈতিক সম্পর্কের কাঠামো তৈরি করা হবে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য কোনো দেশের একচ্ছত্র প্রভাব কিংবা অযাচিত হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে এখন থেকে প্রতিটি সিদ্ধান্ত আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে।
Leave a comment