মানিকগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের জেলা কমিটির এক নেতাকে কুপিয়ে হাত ও পায়ের রগ কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাতে সদর ও সিংগাইর উপজেলার সীমান্তবর্তী একটি ইটভাটার কাছে এ ঘটনা ঘটে।
আহত ওই নেতার নাম বশির। তিনি ছাত্রলীগের মানিকগঞ্জ জেলা কমিটির উপকর্মসংস্থানবিষয়ক সম্পাদক। তাঁর বাড়ি সদর উপজেলার বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের পালোরার চর গ্রামে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলটি মানিকগঞ্জ সদর থানার সীমানা পেরিয়ে সিংগাইর থানা এলাকার প্রায় ২০০ গজ ভেতরে। কারা এবং কী কারণে বশিরের ওপর হামলা চালিয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে পুলিশ জানতে পেরেছে, হামলাকারীরা বশিরের পূর্বপরিচিত ও বন্ধুস্থানীয়। তাঁদের বাড়িও সদর উপজেলায়। বশিরকে কেন ওই নির্জন ইটভাটায় নেওয়া হয়েছিল, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং হামলার কারণ কী—এসব বিষয় তদন্ত করা হচ্ছে।
এদিকে হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে ছাত্রলীগের মানিকগঞ্জ জেলা শাখা। সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে সংগঠনটির জেলা সভাপতি এম এ সিফাদ কোরাইশী ও সাধারণ সম্পাদক রাজিদুল ইসলাম হামলার জন্য বিএনপি ও জামায়াতকে দায়ী করেন।
তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ। তাঁর দাবি, বিভিন্ন সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন, বশিরকে তাঁর বন্ধুরাই কুপিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, স্থানীয়ভাবে মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরেও এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে এ বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
পুলিশ বলছে, হামলার প্রকৃত কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
Leave a comment