মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী ১৪ মে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন। দুই দিনের এই সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং-এর সঙ্গে তার বৈঠকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা এবং যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার বিষয়টি প্রধান আলোচ্য হিসেবে থাকবে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানায়, জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের প্রতিনিধি ফু কং বলেছেন, হরমুজ প্রণালি চালু রাখা এখন বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বে তেল ও এলএনজি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট। এটি দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান-এর মধ্যে চলমান উত্তেজনা এখনো পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া সংঘাত কার্যত শেষ হয়েছে, তবুও দীর্ঘমেয়াদি শান্তিচুক্তি নিয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি।
মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার। একই বিষয়ে কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ জাররাহ জাবের আল-আহমদ আল-সাবাহ পাকিস্তানের উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন।
তবে পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত। ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরুর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। একই সঙ্গে তেহরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যেকোনো আগ্রাসনের জবাবে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাতে তারা প্রস্তুত।
বিশ্লেষকদের মতে, বেইজিং বৈঠকটি শুধু দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকট নিরসনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
Leave a comment