ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসে হিসাবরক্ষক ও অফিস সহায়ক পদে কর্মরত দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দীর্ঘ সাত বছর অফিসে অনুপস্থিত থেকেও বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাদের পরিবর্তে টাকার বিনিময়ে প্রক্সি দিয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে বলা হয়, হিসাবরক্ষক আব্দুর রব এবং কাম কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহায়ক মো. আনোয়ার হোসেন নিয়মিত অফিসে উপস্থিত থাকেন না। তাদের অনুপস্থিতিতে ঝুমুর নামে এক নারী ও ইসা নামে এক যুবক মাসিক প্রায় সাত হাজার টাকার বিনিময়ে প্রক্সি হিসেবে অফিসের দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয়রা জানান, প্রক্সি ব্যবস্থার কারণে অফিসের স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে সেবাগ্রহীতারা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং দাপ্তরিক কাজও প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে হিসাবরক্ষক আব্দুর রব বলেন, তিনি কর্তৃপক্ষের অনুরোধেই নিয়মিত অফিসে যান না। অন্যদিকে মো. আনোয়ার হোসেন দাবি করেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চলাফেরা করতে পারছেন না, তাই অফিসে কম যাতায়াত করেন।
উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে ঝালকাঠি যুব উন্নয়নের উপ-পরিচালক মো. আলাউদ্দিন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, সরকারি অফিসে প্রক্সি পদ্ধতির কোনো বিধান নেই।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের পক্ষ থেকে দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
Leave a comment