কক্সবাজার প্রতিনিধি: দেশের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ এবং বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার আবারও অবৈধ দখলের শিকার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সৈকতের বিভিন্ন অংশে অবৈধ স্থাপনা, দোকানপাট ও নানা ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বিস্তার লাভ করায় সৈকতের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, পর্যটক এবং সচেতন মহলের অভিযোগ, প্রশাসনের চোখের সামনেই সৈকতের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো ধীরে ধীরে দখল হয়ে যাচ্ছে। অথচ এসব দখল উচ্ছেদে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—”সৈকত এখন কার?”
জানা গেছে, অতীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও সৈকতের পরিবেশ রক্ষায় সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। বিশেষ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সৈকত দখলমুক্ত রাখতে কঠোর অবস্থানের কথা বলা হলেও বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, সৈকত এলাকায় অবৈধ দখল বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে শুধু পরিবেশ ও সৌন্দর্যই নষ্ট হচ্ছে না, বরং নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডেরও সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এতে পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পরিবেশবাদীরা মনে করেন, কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত দেশের একটি জাতীয় সম্পদ। এর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সংরক্ষণ এবং দখলমুক্ত রাখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। অব্যাহত দখলদারিত্ব চলতে থাকলে ভবিষ্যতে সৈকতের পরিবেশগত ভারসাম্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়তে পারে।
Leave a comment