ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের খাদে পড়ে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কেয়াবাগান এলাকায় ঝিনাইদহ-যশোর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কুড়াপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (৫৮), সাকেদা গ্রামের শাবানা খাতুন (৩২) ও তাঁর ছেলে সিয়াম হোসেন (১১), ভিটশ্বর গ্রামের সাইদুল ইসলাম (৫০), কালীগঞ্জ উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের মাসুদ রানা (৩৫) ও বিথী খাতুন (৩১) এবং মহেশপুর উপজেলার নেপা গ্রামের আনজু বেগম (৬৫) ও সাবিনা খাতুন (২৮)।
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মাসুদ রানা, শাবানা খাতুন ও সিরাজুল ইসলাম কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। অন্যরা যশোর জেনারেল হাসপাতাল ও বারবাজারের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে অন্য আহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে কুষ্টিয়া থেকে গড়াই পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস খুলনার দিকে যাচ্ছিল। পথে কেয়াবাগান এলাকায় পৌঁছালে বাসটির সামনের চাকার এক্সেল ভেঙে যায়। এতে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এ সময় বাসের অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন।
খবর পেয়ে কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও বারবাজার হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন। পরে তাঁদের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, যশোর জেনারেল হাসপাতাল এবং বারবাজারের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে পাঠানো হয়।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) গৌরাঙ্গ কুমার বসু বলেন, কুষ্টিয়া থেকে খুলনার দিকে যাচ্ছিল গড়াই পরিবহনের একটি বাস। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কেয়াবাগান এলাকায় বাসটি খাদে পড়ে যায়। এতে ২০ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় কেউ নিহত হননি।
Leave a comment