আজ শুক্রবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়েছে ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ২৫ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে ব্রেন্টের দাম প্রায় ৬ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৭ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ইরান সংকট ঘিরে নাজুক যুদ্ধবিরতি ও সরবরাহ অনিশ্চয়তাই বাজারে এই অস্থিরতার মূল কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পরই জ্বালানির দামে এই উল্লম্ফন দেখা যায়।
একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেন, ইরান ইস্যুতে চীন ‘খুব বাস্তববাদী’ অবস্থান নিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা বেইজিংয়ের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।
জ্বালানি বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ভান্ডা ইনসাইটসের প্রতিষ্ঠাতা বন্দনা হারি বলেন, ‘বেইজিং বৈঠকেও ইরান ইস্যুতে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় বাজারের নজর আবারও অচলাবস্থা ও হরমুজ অবরোধের দিকে ফিরেছে। সামরিক উত্তেজনা ফের বাড়ার ঝুঁকিও রয়েছে।’
ট্রাম্প অবশ্য জানিয়েছেন, চীন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরো তেল কিনতে আগ্রহ দেখিয়েছে।
এদিকে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা বেড়েছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) দাবি, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে অন্তত ৩০টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। যদিও যুদ্ধের আগে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৪০টি জাহাজ চলাচল করত।
হাইটং ফিউচার্সের বিশ্লেষক ইয়াং আন বলেন, বাজারে তেলের দামের প্রধান চালিকাশক্তি এখনো সরবরাহসংকট।
তিনি বলেন, ‘হরমুজ দিয়ে কিছু জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় বাজারের উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। তবে সরবরাহ সংকটের কারণে দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বদলানোর মতো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি।
Leave a comment