ভারতের প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য তিনটি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন এই নিয়ম চালু করবে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, মোদী সরকারের ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০’-এর অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হচ্ছে। গত শুক্রবার প্রকাশিত এক নির্দেশিকায় সিবিএসই জানায়, আগামী ১ জুলাই থেকে নবম ও দশম শ্রেণিতে এই নিয়ম পুরোপুরি বাস্তবায়ন হবে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষার পাশাপাশি আরও দুটি ভাষা পড়তে হবে। পাঠ্যক্রমকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে— আর-১, আর-২ এবং আর-৩।
আর-১ ও আর-২ বিভাগে থাকবে দুটি ভিন্ন ভারতীয় ভাষা। শিক্ষার্থীরা বাংলা, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কন্নড় কিংবা গুজরাতির মতো ভাষা বেছে নিতে পারবে। আর-৩ বিভাগে পড়ানো হবে একটি বিদেশি ভাষা।
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, নতুন এই শ্রেণিবিন্যাসে ইংরেজিকে ভারতীয় ভাষা হিসেবে নয়, বরং ‘বিদেশি ভাষা’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সিবিএসই আরও জানিয়েছে, শিক্ষার্থীরা চাইলে ইংরেজির পাশাপাশি আরও একটি বিদেশি ভাষাও শিখতে পারবে, যা ‘চতুর্থ ভাষা’ হিসেবে গণ্য হবে।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই নীতির ফলে শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা ও বৈশ্বিক যোগাযোগ সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে ভারতের আঞ্চলিক ভাষাগুলোর চর্চাও আরও শক্তিশালী হবে।
Leave a comment