গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির জয়সূচক গোলের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল ব্রুনো গিমারায়েসের। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে জাপানের রক্ষণভাগের চাপ সামলে নিখুঁত এক থ্রু পাস বাড়ান তিনি। সেই পাস থেকেই গোল করে ব্রাজিলকে ২–১ ব্যবধানে জয় এনে দেন মার্টিনেল্লি।
এই অ্যাসিস্টের মাধ্যমে চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপে নিজের অ্যাসিস্টসংখ্যা চারটিতে উন্নীত করেছেন নিউক্যাসল ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডার। এখন পর্যন্ত আসরে এটিই সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে কয়েকজন জাপানি ডিফেন্ডারের চাপে থাকলেও দারুণ স্থিরতা দেখান গিমারায়েস। ছোট একটি ফাঁক খুঁজে বের করে বাড়ানো তাঁর পাস সহজেই কাজে লাগান মার্টিনেল্লি।
ম্যাচের ২৯তম মিনিটে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল জাপান। তবে দ্বিতীয়ার্ধে কাসেমিরোর গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। এরপর যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে মার্টিনেল্লির গোলে জয় নিশ্চিত করে কার্লো আনচেলত্তির দল।
প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ার পরও ম্যাচে দারুণভাবে ফিরে আসে ব্রাজিল। শেষ পর্যন্ত স্কোয়াডের গভীরতা ও খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের সুবাদে জাপানকে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ১৬ নিশ্চিত করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
Leave a comment