আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত গুম ও হত্যাকাণ্ডসংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তাঁর সাবেক দেহরক্ষী ইমরুল কায়েস। সাক্ষ্যে তিনি দাবি করেন, ২০১২ সালে বিএনপির নেতা ইলিয়াস আলীকে গুমের ঘটনায় জিয়াউল আহসান জড়িত ছিলেন।
আজ রোববার ট্রাইব্যুনালে পঞ্চম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন ইমরুল কায়েস। সাক্ষ্যে তিনি জিয়াউল আহসান এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকীর মধ্যে হওয়া কথোপকথনের বিষয়ও উল্লেখ করেন।
ইমরুল কায়েসের সাক্ষ্য অনুযায়ী, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর পরিচালিত ‘অপারেশন রেবেল হান্ট’-এর সময় প্রায় ১০ জন বিডিআর সদস্যকে ইনজেকশন প্রয়োগ এবং পরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন কোনো প্রমাণ আদালতে উপস্থাপিত হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সাক্ষ্যে ইমরুল কায়েস বিভিন্ন সময় সংঘটিত একাধিক হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন এবং এসব ঘটনার সঙ্গে জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলেন।
এর আগে চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ১১ জুলাই গাজীপুরের পুবাইলে তিনজনকে হত্যা করা হয়। এ ছাড়া ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনায় ৫০ জন এবং একই সময়ে আরও ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
Leave a comment