দেশ রক্ষায় সামরিক সেবায় অংশ নিতে প্রেসিডেন্ট ও স্পিকারসহ প্রায় ২৬ মিলিয়ন ইরানি নাগরিক স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে আবেদন করেছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি-এর নেতৃত্বে এই উদ্যোগ দেশটির ভেতরে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সরকারি সূত্রগুলো বলছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে জনগণের এই ব্যাপক সাড়া ইরানের জন্য একটি শক্ত বার্তা বহন করে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, এমনকি শীর্ষ পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও এতে অংশ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ইরানের স্পিকারসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের এই উদ্যোগে সম্পৃক্ততা বিষয়টিকে আরও গুরুত্ব দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, এর মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য ও সংহতির একটি প্রতীকী বার্তা দেওয়া হচ্ছে।
তবে সামরিক সেবায় এত বিপুল সংখ্যক মানুষের আবেদন বাস্তবে কীভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি আংশিকভাবে রাজনৈতিক ও মনোবল বৃদ্ধির কৌশল হিসেবেও ব্যবহৃত হতে পারে।
আন্তর্জাতিক মহল এই ঘোষণার দিকে সতর্ক নজর রাখছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে এর প্রভাব পড়তে পারে।
Leave a comment