নৌপরিবহনমন্ত্রী জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে দেশের স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও দক্ষ করতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা, কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জাহাজজট কমানোর লক্ষ্যে এনসিটি পরিচালনায় বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এতে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। এই বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে দেশের সামগ্রিক বাণিজ্য ব্যবস্থাও শক্তিশালী হবে। তাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।তবে এ বিষয়ে বিভিন্ন মহলে যে আলোচনা ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে, সে প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকারের সব সিদ্ধান্তই স্বচ্ছতা বজায় রেখে নেওয়া হয় এবং জাতীয় স্বার্থের বাইরে কোনো কিছু করা হবে না।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এনসিটি ইজারা প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে সম্পন্ন করা হবে এবং এতে দেশীয় ও বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এই উদ্যোগ চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
Leave a comment