সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক বলেছেন, চলমান খালখনন কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) দুপুর ২টায় উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মল্লিকপুর এলাকায় খালখনন কার্যক্রম পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি জানান, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ—এই তিনটি উপজেলা সরাসরি উপকৃত হবে। তিনি দাবি করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর সময় শুরু হওয়া খাল পুনঃখনন উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে দেশব্যাপী নতুন করে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে, যা কৃষি ও পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। খাল পুনঃখনন শুধু পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নই করবে না, বরং কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
স্মৃতিচারণ করে এম এ মালিক বলেন, ১৯৭৫ সাল থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শের অংশ হিসেবে খালখনন ও উন্নয়নমূলক বিভিন্ন কর্মসূচিতে তিনি যুক্ত রয়েছেন। ১৯৭৭ সালে শহীদ জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে পরিচালিত খালখনন আন্দোলনেও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে সিলেট-৩ আসনের আওতাধীন দাউদপুর ও মল্লিকপুরে খালখনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে বালাগঞ্জ উপজেলাতেও এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এম এ মালিক বলেন, “সিলেট-৩ আসনের মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন। ইনশাআল্লাহ আমরা তিনটি উপজেলাকে মডেল এলাকায় রূপান্তর করব।”
এ সময় তিনি আরও বলেন, শুধু খাল নয়—সুরমা, কুশিয়ারা ও অন্যান্য ছোট নদী পুনঃখননেরও পরিকল্পনা রয়েছে। এসব নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
পরিদর্শনকালে সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় নেতাকর্মী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি প্রশাসন, দলীয় নেতাকর্মী এবং ভোটারদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।

Leave a comment