ইরানের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক ৪০ দিনের সংঘাত চলাকালেই দেশটি আরও উন্নত সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করেছে এবং যুদ্ধের শেষ দিকে সেগুলোর কিছু ব্যবহারও করা হয়েছে।
রোববার এক বিবৃতিতে ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া এ কথা বলেন। খবর প্রেস টিভির।
আকরামিনিয়া বলেন, কয়েকটি সমরাস্ত্রের গবেষণা ও উন্নয়নকাজ আগে থেকেই চলছিল। সংঘাতের শেষ পর্যায়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী নতুন কয়েকটি ড্রোন ব্যবহার করেছে।
তিনি বলেন, “যুদ্ধ চলাকালেই আমরা এসব ড্রোন ব্যবহারে আনতে সক্ষম হয়েছি।”
তিনি আরও জানান, ইরানের সেনাবাহিনী ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রগুলোরও উন্নয়ন করা হয়েছে।
আকরামিনিয়ার ভাষ্য, যুদ্ধ চলাকালে বিদ্যমান অস্ত্র ব্যবহার করলেও গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়নি। বর্তমানে দেশীয় উৎপাদনের পাশাপাশি বন্ধুসুলভ দেশগুলো থেকেও উন্নত প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে যে ড্রোনগুলো আমরা উন্মোচন করেছি, সেগুলো আগের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত। এর মধ্যে আরাশ-২ উল্লেখযোগ্য। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।”
আকরামিনিয়ার দাবি, এসব সামরিক সক্ষমতা ভবিষ্যতে ইরানের নিরাপত্তা আরও জোরদার করবে।
ইরানি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করে। এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ৪০ দিন পাল্টা হামলা চালায়। ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও ইরানের দাবি।
Leave a comment