কুমিল্লার মুরাদনগরে চোরাই সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ আন্তজেলা চোর চক্রের তিন সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার নবীপুর পূর্ব ইউনিয়নের বাখরনগর এলাকায় কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে পুলিশের চেকপোস্টে তল্লাশির সময় দুজনকে আটক করা হয়। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা থেকে আরও একজনকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বাখরনগর থোল্লা গ্যাস পাম্পের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। এ সময় পুলিশের চেকপোস্ট দেখে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার আরোহীরা পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ অটোরিকশাটি আটক করতে গেলে একজন পালিয়ে যান। পরে অটোরিকশায় থাকা জুম্মান হোসেন ওরফে জুম্মান ড্রাইভার (৩৩) ও মো. জসিমকে (৩০) আটক করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য, জিজ্ঞাসাবাদের সময় আটক দুজন অটোরিকশাটির বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। তাঁরা অটোরিকশাটি চোরাই বলে স্বীকার করেন। পরে অটোরিকশাটি জব্দ করে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, আটক দুজনের দেওয়া তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মামুন মিয়ার (৪৫) অবস্থান শনাক্ত করা হয়। একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে কসবা থানা-পুলিশের সহযোগিতায় উপজেলার কুটি চৌমুহনী এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
আটক জুম্মান হোসেনের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বেতবাড়িয়া এলাকায়। তিনি বর্তমানে চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকায় বসবাস করেন। জসিম চট্টগ্রামের সাতকানিয়া পৌরসভার দুর্লভেরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে মামুন মিয়ার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের গোয়ালী দক্ষিণপাড়া এলাকায়।
পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিরা আন্তজেলা সিএনজিচালিত অটোরিকশা চোর চক্রের সদস্য। তাঁরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অটোরিকশা চুরি করে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় কেনাবেচা করতেন। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, এ ঘটনায় মুরাদনগর থানায় মামলা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের বুধবার (২৮ অক্টোবর) আদালতে পাঠানো হয়েছে।
Leave a comment