নিজের রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াও জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহ্য হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, ‘আজ প্রধানমন্ত্রী মজা করে বলছিলেন, তারেক তুমি আবার যাবা আমার সঙ্গে। ওরা জ্বলতে থাকুক।’
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত ও এনসিপি তাঁকে হেয় করতে করতে এমন অবস্থায় নিয়ে গেছে যে তাঁর সামান্য রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াও তারা সহ্য করতে পারছে না।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে একসময় শুভাকাঙ্ক্ষী ও প্রবাসীদের আর্থিক সহযোগিতার ওপর নির্ভর করতে হয়েছে বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, পরে সেই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে কাজ করে জীবিকা নির্বাহের চেষ্টা করেছেন। এ জন্য ফল ও মধুর ব্যবসাও করেছেন।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, ২০১৮ সালের বিভিন্ন আন্দোলনের লিফলেট, মোদিবিরোধী আন্দোলনের প্রচারপত্র এবং ভারতীয় পণ্য বর্জনের লিফলেট তৈরিতে তাঁর ভূমিকা ছিল। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে আটক, গুম ও রিমান্ডে থাকার অভিজ্ঞতার কথাও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।
জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে তাঁর বিরোধকে রাজনৈতিক বিরোধ হিসেবে দেখতে চান না জানিয়ে তারেক রহমান লেখেন, ‘যারা আমাকে সহ্য করতে পারছেন না, তাদের সঙ্গে আমার রাজনৈতিক বিরোধ নেই। এই বিরোধ সার্বভৌমত্বের বিরোধ।’
পোস্টে তিনি জামায়াতের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগও তোলেন। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি পোস্টে যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, সেগুলোর স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা হয়নি।
এদিকে, জুলাই-সংক্রান্ত মামলায় কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধা কারাগারে থাকলে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁকে জামিন দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে আদালতের প্রতি আহ্বান জানান তারেক রহমান। তাঁর ভাষ্য, জামিনে মুক্ত থাকার পর কেউ দোষী প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তাঁকে আবার গ্রেপ্তার করা যেতে পারে।
পোস্টের শেষাংশে নিজের পাশে থাকার জন্য বাংলাদেশপন্থী রাজনৈতিক দল, জাতীয়তাবাদী দল ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর পাশে রাখার জন্য ধন্যবাদ জানান।
Leave a comment