মধ্যপ্রাচ্যে চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ রাখায় বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। এর ফলে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা বাড়ছেই। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত মোট ৩৬৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, এই সময়ের মধ্যে প্রতিদিনই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি এবং ১০ মার্চ ৩২টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
শুধু ১০ মার্চই বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্স তাদের বেশ কয়েকটি ফ্লাইট স্থগিত করেছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৪টি, গালফ এয়ারের ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটসের ৪টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ৪টি, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ৩টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ৩টি ফ্লাইট রয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স মোট ৩২৫টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
এই পরিস্থিতিতে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশে এসে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারবেন কি না—এ নিয়ে অনেকেই উদ্বেগে রয়েছেন।
এদিকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে সপ্তাহে চার দিন ঢাকা–শারজাহ এবং ১৪ এপ্রিল থেকে সপ্তাহে তিন দিন ঢাকা–আবুধাবি রুটে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকেও আবুধাবির উদ্দেশ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
Leave a comment