ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআরসি) সেনাবাহিনীর একটি বিয়োগান্তক বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির সামরিক বাহিনীর দুই প্রভাবশালী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাও রয়েছেন। শনিবার এক প্রতিবেদনে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, শুক্রবার দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কিকউইট থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশ্যে বিমানটি উড্ডয়ন করেছিল। তবে উড্ডয়নের কিছু সময় পরই বিমানটিতে মারাত্মক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। চালক কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেঙ্গে এলাকায় বিমানটি জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেন। কিন্তু আশপাশে কোনো রানওয়ে না থাকায় বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে।
কোয়াঙ্গো প্রদেশের উপ-গভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা জানান, মাটিতে আছড়ে পড়ার সাথে সাথেই বিমানটিতে প্রচণ্ড আগুন ধরে যায়। প্রথমে কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে ধ্বংসাবশেষের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর ১৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও একটি শিশুসহ মোট ১৭ জনের পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কঙ্গোর সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় নিহত সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জোসেফ মুটোম্বো এবং লেফটেন্যান্ট জেনারেল লুসিয়েন-রেনে লিকুলিয়া রয়েছেন। তারা সরকারি দায়িত্ব পালন শেষে রাজধানীতে ফিরছিলেন। দুর্ঘটনার সার্বিক কারণ খুঁজে বের করতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদি। একই সঙ্গে তিনি নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
Leave a comment