রমজান মাসেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ঈদের আগেই এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ সংক্রান্ত বিষয়টি বিস্তারিতভাবে উল্লেখ ছিল। কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করা হবে, সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান বিষয়ে আজ আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী চান পাইলট প্রকল্প হিসেবে অন্তত ঈদের আগেই এটি শুরু করতে। এটুকু আমি জানি।”
ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় কত পরিবার অন্তর্ভুক্ত হবে—এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এটি মূলত একটি সার্বজনীন উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এতে সরাসরি কোনো কঠোর বিধিনিষেধ থাকবে না।
তবে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা ধাপে ধাপে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে এই সুবিধার আওতায় আনার বিষয়ে সুপারিশ করবে।
যদিও বৈঠকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে কী ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত ঘোষণা আসেনি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে—এটি সামাজিক সুরক্ষা ও ভর্তুকি ব্যবস্থাকে আরও সুসংগঠিত করার একটি উদ্যোগ হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, একটি একক পারিবারিক তথ্যভিত্তিক কার্ড চালু হলে সরকারি সহায়তা বণ্টন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর হতে পারে।
রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে সরকার দ্রুত পাইলট কার্যক্রম শুরু করতে আগ্রহী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পরীক্ষামূলক বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যকারিতা মূল্যায়ন করা হবে। এরপর প্রয়োজন অনুযায়ী সারাদেশে সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
Leave a comment