কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জলপথটির ওপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আহ্বান জোরালো করার অংশ হিসেবেই তিনি এ পদক্ষেপ নিয়েছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে বিতর্কিত মানচিত্রটি প্রকাশ করেন ট্রাম্প। এতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম ব্যস্ত ও সংবেদনশীল এই জলপথকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি মূলত ইরান ও ওমানের জলসীমার মধ্যে অবস্থিত।
এর আগে গত শুক্রবার হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডভুক্ত করার ধারণার কথা জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছিলেন, কঠোর অবরোধের মাধ্যমে কৌশলগত এই জলপথটি বর্তমানে মার্কিন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘অলীক কল্পনা’ আখ্যা দিয়ে তেহরান জানিয়েছে, পরাজয়ের বাস্তবতা থেকে নজর সরাতেই মার্কিন প্রশাসন এমন বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, হরমুজ প্রণালি অতীতেও ইরানের ছিল, বর্তমানেও রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও ইরানেরই থাকবে। একই সঙ্গে তেহরান জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক এই জলপথ কখন বন্ধ বা উন্মুক্ত করা হবে, সে সিদ্ধান্ত ইরানই নেবে।
Leave a comment