তবে এই ঘোষণার পরপরই ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয় জানিয়ে দিয়েছে, আমেরিকার এই নিষেধাজ্ঞার ছাড় বা কড়াকড়ির ওপর ভারতের তেল আমদানি নির্ভর করে না; নিজেদের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক লাভের কথা চিন্তা করেই ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখবে।
গত সপ্তাহে রাশিয়ার তেলের ওপর দেওয়া আগের ছাড়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, সোমবার (১৮ মে) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ নতুন করে এই ৩০ দিনের সাধারণ লাইসেন্স বা ছাড়পত্র জারি করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট জানান, সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও জ্বালানি সংকটে থাকা দেশগুলোর কাছে যেন তেল পৌঁছানো নিশ্চিত করা যায়, সে জন্যই এই ৩০ দিনের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এটি বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করবে।
বেসেন্ট আরো উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপের ফলে চীন একাই কম দামে রাশিয়ার সব তেল কিনে নিজের দেশে মজুদ করতে পারবে না, বরং অন্যান্য অভাবী দেশগুলোও এই তেল ব্যবহারের সুযোগ পাবে।আমেরিকার এই ঘোষণার পর মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালেই ভারতের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন দেশটির পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সুজাতা শর্মা জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ছাড় দেওয়ার আগেও ভারত রাশিয়ার তেল কিনত, ছাড়ের সময়েও কিনেছে এবং ভবিষ্যতেও কিনবে। আমেরিকার সিদ্ধান্তের কারণে ভারতের তেল আমদানিতে কোনো প্রভাব পড়বে না।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকার সুযোগে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারত রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি করেছে।
Leave a comment