পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সেন্ট মার্টিন দ্বীপ-এ পর্যটন নিয়ন্ত্রণের বিদ্যমান নীতিই বহাল রাখবে ভবিষ্যতের নির্বাচিত সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের বাইরে দ্বীপে পর্যটন কার্যক্রম চালু রাখা হবে না বলে জানিয়েছে সরকার।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়-এর পরিবেশমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক লিখিত সাক্ষাৎকারে বলেন, বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে দীর্ঘ সময় পর্যটন বন্ধ রাখায় দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৪ সালে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বছরে মাত্র তিন মাস—নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত—সেন্ট মার্টিনে পর্যটকদের ভ্রমণের অনুমতি রয়েছে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক সেখানে যেতে পারেন। বাকি নয় মাস পর্যটন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, তিন মাসের বেশি সময় পর্যটন চালু থাকলে দ্বীপের প্রবাল ও সামগ্রিক পরিবেশ বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই বাংলাদেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ এই দ্বীপের অস্তিত্ব রক্ষায় পর্যটন নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রাখা জরুরি।
সরকারের মতে, দীর্ঘমেয়াদে পর্যটন সীমিত রাখার ফলে দ্বীপের প্রাকৃতিক ভারসাম্য পুনরুদ্ধার হচ্ছে এবং জীববৈচিত্র্য টিকে থাকার সুযোগ পাচ্ছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরাও মনে করেন, এ ধরনের নিয়ন্ত্রণ টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
Leave a comment