স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত করা গেলে দেশে উগ্রবাদের কোনো স্থান থাকবে না বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেছেন, শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা, সৃজনশীলতা ও সহনশীল মানসিকতা গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
একটি আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, গান, নাটক, আবৃত্তি, খেলাধুলা ও বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিবাচক মূল্যবোধ তৈরি করে। এতে করে তারা বিভ্রান্তি ও চরমপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়ার ঝুঁকি কমে যায়।
তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে তরুণদের সঠিক পথে রাখতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক পরিবেশও বড় ভূমিকা রাখে। তাই প্রতিটি স্কুলে নিয়মিত সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
বক্তাদের মতে, সুস্থ সংস্কৃতিচর্চা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি শক্তিশালী সামাজিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা, যা সমাজে সহনশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করে।
Leave a comment