মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দফায় দফায় বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। এই পরিস্থিতির প্রভাবে দেশের বাজারেও গত শনিবার রাতে সব ধরনের জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে সরকার।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির পরপরই পরিবহন খাতে ভাড়া সমন্বয়ের দাবি তুলেছে বাস-ট্রাক মালিক সমিতি। রোববার (১৯ এপ্রিল) সংগঠনটির পক্ষ থেকে দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। পরিবহন মালিকদের দাবি, ডিজেলচালিত বাস ও ট্রাকে লিটারে ১৫ টাকা পর্যন্ত জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় তাদের পরিচালন ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম বলেন, সরকার তেলের দাম বাড়ালেও ভাড়া সমন্বয়ের বিষয়ে কোনো গেজেট বা নির্দেশনা দেয়নি, ফলে মালিকরা বাড়তি দামে তেল কিনলেও আগের ভাড়ায় সেবা দিতে হচ্ছে, যা লোকসানের কারণ হচ্ছে। তিনি বলেন, “এভাবে বাস চালানো সম্ভব নয়, আমরা সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগ করেছি।”
তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর বাজেটের আগে বাস্তব খরচ বিবেচনায় ভাড়া নির্ধারণ করা হলে একটি স্থায়ী সমাধান আসতে পারে। ডলারসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচকে বড় পরিবর্তন হলে তা আলাদা করে বিবেচনা করা যেতে পারে বলেও তিনি মত দেন। মালিকদের দাবি, ভাড়া নির্ধারণের এই প্রস্তাবটি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
Leave a comment