শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব এসব তথ্য জানান।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. রোকন মোল্লা (৩২), মো. শিহাব উদ্দিন (২৬), মো. রুহুল আমিন (৩৮), মো. আব্দুস সালাম (৩৫), মো. তসলিম প্রামাণিক (৪৮), মো. হযরত আলী ওরফে মন্টু মোল্লা (৪৬), মো. বাছেদ মণ্ডল (৩৭), মো. সৈকত (২৫), মো. উজ্জ্বল মোড়ল (৫০), মো. হারুন অর রশীদ (৪০), মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৯), মো. নায়েব আলী (৪৫) এবং মো. সাইফুল ইসলাম (৪২)।
জব্দ করা মালামালের মধ্যে রয়েছে পাওয়ার গ্রিডের প্রায় সোয়া কোটি টাকা মূল্যের ৩৫০টি ব্যাটারি সেল এবং ১০টি মোবাইল ফোন। এর আগে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানা এলাকা থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের মধ্যে রুহুল আমিন ও সৈকত পৃথকভাবে ডাকাত দল পরিচালনা করতেন। কিছুদিন আগে তারা কারাগারে থাকাকালীন বড়াইগ্রামের বনপাড়ায় নির্মাণাধীন একটি অরক্ষিত পাওয়ার গ্রিডে ডাকাতির পরিকল্পনা করেন। পরবর্তীতে জামিনে বের হয়ে গত ২৫ মার্চ তারা দুটি সংঘবদ্ধ দল গঠন করে ওই গ্রিডে কর্মরত চারজন পাহারাদারকে বেঁধে এক কোটি ৯৩ লাখ টাকার মালামাল ট্রাকে করে লুট করে নেয়।
পরদিন প্রতিষ্ঠানের সহকারী ব্যবস্থাপক অনিক কুমার বিশ্বাস বাদী হয়ে বড়াইগ্রাম থানায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির মামলা করেন। জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও বড়াইগ্রাম থানা পুলিশের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থার সহায়তায় টানা ৪৮ ঘণ্টার অভিযানে নাটোর, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ঢাকা ও গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় দেড় কোটি টাকার মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শামীম হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার ১৩ জনকে শুক্রবার বিকেলে বড়াইগ্রাম আমলি আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে
Leave a comment