মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা খাতের অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ–এর স্থাপনায় ড্রোন হামলার দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী। রোববার (২২ মার্চ) এই দাবি করা হলেও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সত্যায়ন দেয়নি ইসরায়েল।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, দেশটির ড্রোন ইউনিট ইসরায়েলের বেন গুরিয়ান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এর কাছাকাছি অবস্থিত আইএআই-এর স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালায় এবং সেখানে সফলভাবে আঘাত হানা হয়েছে। ইসরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে পরিচিত, যেখানে উন্নত ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক প্রযুক্তি তৈরি করা হয়।
তবে হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে এখনো কোনো নিশ্চিত বক্তব্য না আসায় ঘটনাটির সত্যতা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা–এর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে শুধু বাহ্যিক শত্রুই নয়, অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানিয়েছে ইরান। দেশটির ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গুপ্তচরবৃত্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে সন্দেহভাজন অন্তত ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, মারকাজি প্রদেশ থেকে ২৩ জনকে আটক করা হয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে সামরিক স্থাপনার তথ্য ইসরায়েল-সংশ্লিষ্ট মাধ্যমে সরবরাহ এবং দেশে অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে। একই সময়ে গোলেস্তান প্রদেশে পুলিশের একটি কেন্দ্রে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, দেশের বাইরে অবস্থানরত ১৫ জন ইরানি নাগরিকের বিরুদ্ধে ‘অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের’ তথ্য সংগ্রহ করে বিচার বিভাগের কাছে পাঠানো হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন অভিযোগে ইতোমধ্যে কয়েক শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।
Leave a comment