ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় পাঁচ শতাধিক অসচ্ছল পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের উত্তর বিশ্বনাথ আমজদ উল্লাহ ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এসব খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। এতে এলাকার নিম্নআয়ের ও অসচ্ছল পরিবারগুলোকে ঈদের আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, ফ্রান্স প্রবাসী লুৎফর রহমান লিজাদের আর্থিক সহযোগিতায় এবং উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। বিতরণ করা খাদ্যসামগ্রীর মধ্যে ছিল চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, সেমাই, ময়দা, দুধের গুঁড়া ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য।
খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী। সভা পরিচালনা করেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মোহাম্মদ মতিউর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্বনাথ পৌর জামায়াতে ইসলামীর আমীর এইচ এম আখতার ফারুক।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পৌর জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মাষ্টার বাবুল মিয়া, আব্দুর রহিম, বায়তুলমাল সেক্রেটারি মোহাম্মদ আশিকুর রহমান, লামাকাজী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর আব্দুল আলী, সেক্রেটারি জুয়েল আহমেদ, খাজাঞ্চী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর গিয়াস উদ্দিন সাদী, সেক্রেটারি আব্দুল ওয়াদুদ, অলংকারী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর কামাল আহমেদ, সেক্রেটারি মকবুল আহমেদ, দৌলতপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি ফখর উদ্দিন, রামপাশা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মিয়া মোহাম্মদ শাহেদ, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল মালিকসহ স্থানীয় জামায়াত নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা রজব আলী, রেনু মাষ্টার, নাজমুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রহমান, হোসাইন আহমেদ, কফিল উদ্দিন, তানবীর আহমেদ ফাহিমসহ অনেকে।
সভায় বক্তারা বলেন, সমাজের দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো একটি মানবিক দায়িত্ব। ঈদকে সামনে রেখে অসচ্ছল মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।
Leave a comment