ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন আসিফ মাহমুদ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এমন অভিযোগ উত্থাপন করেন সাবেক বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা এস বি আর সৈকত। যদিও পোস্টটি প্রকাশের কিছু সময় পরই তিনি তা মুছে ফেলেন।
মুছে ফেলার আগে দেওয়া ওই পোস্টে সৈকত দাবি করেন, বৈধ ব্যাংক হিসাবের বাইরে ক্রিপ্টোকারেন্সি ও নগদ অর্থ পাচারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব, যা সরকারি তদারকির আওতার বাইরে থাকতে পারে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, দেশে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বৈধ অর্থের হিসাব প্রকাশ করলেও বিদেশে অবৈধভাবে পাঠানো অর্থের কোনো হিসাব প্রকাশ করা হয় না—এমন পরিস্থিতিতে প্রকৃত আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি আড়ালেই থেকে যেতে পারে।
তার পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, দেশে থাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হিসাব প্রকাশ করে নিজেকে স্বচ্ছ প্রমাণের চেষ্টা করা হলেও ক্রিপ্টোকারেন্সি বা অনানুষ্ঠানিক উপায়ে বিদেশে পাঠানো অর্থের বিষয়ে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালীন সময়ের নথিপত্র, নিয়োগ সংক্রান্ত সুপারিশ ও আর্থিক লেনদেনের পটভূমি যাচাই করার আহ্বান জানান।
তবে সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত এই অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আসিফ মাহমুদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একইসঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাও এ বিষয়ে কোনো তদন্ত বা পদক্ষেপের ঘোষণা দেয়নি।
রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেকেই মনে করছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওঠা এমন অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে হলে সংশ্লিষ্ট নথি, আর্থিক লেনদেন ও দায়িত্বকালীন কর্মকাণ্ডের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রয়োজন। অন্যদিকে, প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ প্রকাশে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।


Leave a comment