রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংঘর্ষের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে নতুন ধারা বাংলাদেশের (এনডিবি) ছয় নেতা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে শাহবাগ থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের সামনে এনডিবি ও রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম (এসডিএফ)-এর নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে আহতরা ঢামেক হাসপাতালে গেলে সেখানে উভয় পক্ষের মধ্যে আবারও উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসেবা সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়।
পুলিশ হেফাজতে নেওয়া এনডিবি নেতারা হলেন—দলের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান ড. নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতাপ মণ্ডল ও হরিদাস সরকার।
রমনা জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) রাব্বানী এবং শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল আমিন আহত ছয়জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এনডিবির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা অভিযোগ করেন, প্রেসক্লাবের সামনে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চলাকালে আয়াশের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে ঢামেকে চিকিৎসা নিতে গেলে আবারও হামলার শিকার হন বলে তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে, রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের সদস্যসচিব আ ন ম আয়াশ দাবি করেন, জুলাই শহীদ আবু সাঈদ ও ধর্মীয় বিষয় নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের প্রতিবাদ করতে গেলে এনডিবির নেতা-কর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালান।
মঞ্চ-২৪-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ফাহিম ফারুকী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, শহীদ আবু সাঈদ ও ধর্মীয় বিষয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে তারা সেখানে অবস্থান নিয়েছিলেন।
Leave a comment