যুক্তরাষ্ট্রের সান ডিয়েগো শহরের একটি মসজিদে বন্দুক হামলায় নিহত নিরাপত্তাকর্মী আমিন আবদুল্লাহর সাহসিকতার প্রশংসা করেছে পুলিশ। কর্তৃপক্ষ বলছে, তাঁর দ্রুত পদক্ষেপের কারণেই বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
সোমবার ইসলামিক সেন্টার অব সান ডিয়েগো–এ এই হামলার ঘটনা ঘটে। এতে নিরাপত্তাকর্মী আমিন আবদুল্লাহসহ আরও দুই মুসল্লি নিহত হন। নিহত অন্য দুজন হলেন মানসুর কাজিহা এবং নাদের আওয়াদ।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, দুই কিশোর হামলাকারী গুলি চালানোর পর নিজেদেরও হত্যা করে। ঘটনাটি ঘৃণাজনিত অপরাধ (হেট ক্রাইম) হিসেবে তদন্ত করা হচ্ছে।
সান ডিয়েগো পুলিশ প্রধান স্কট ওয়াহল সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “এটা বলাই যায় যে তাঁর কাজ ছিল বীরত্বপূর্ণ। নিঃসন্দেহে তিনি বহু মানুষের জীবন বাঁচিয়েছেন।”
স্থানীয় মুসলিম সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস–এর সান ডিয়েগো শাখার প্রতিনিধি তাজহীন নিজাম বিবিসিকে জানান, আট সন্তানের বাবা আমিন আবদুল্লাহ সবাইকে হাসিমুখে স্বাগত জানাতেন এবং কমিউনিটির খুব প্রিয় মানুষ ছিলেন।
মসজিদ কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে তাঁকে “সাহসী মানুষ” আখ্যা দিয়ে বলেছে, “শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি কমিউনিটিকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন।”
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আমিন আবদুল্লাহ এক দশকের বেশি সময় ধরে মসজিদে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁকে “সবচেয়ে ভালো মানুষদের একজন” হিসেবে স্মরণ করা হচ্ছে।
ঘটনার পর তাঁর পরিবারের সহায়তায় চালু হওয়া
Leave a comment