সাউথইস্ট ব্যাংকের ২ কোটি ২৩ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সদস্যসচিব ইমরুল কায়েস সুমনের জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২-এর বিচারক শাহীন কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। এর আগে সুমনকে আদালতে হাজির করে স্থায়ী জামিনের আবেদন করা হয়। আদেশের পর পুলিশ পাহারায় তাঁকে পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান পলাশ।
আদালত সূত্রে জানা যায়, সাউথইস্ট ব্যাংকের ঈশ্বরদী শাখা থেকে ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করার অভিযোগে সুমনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলায় অভিযোগ করা হয়, একপর্যায়ে তিনি সপরিবার আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল ব্যাংকের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।
মামলার তদন্তে সুমনের সঙ্গে ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজশের অভিযোগও উঠে আসে। পরে ২০২৩ সালের জুনে প্রায় ১ কোটি ৭৭ লাখ টাকা আত্মসাতে সহযোগিতার অভিযোগে সাউথইস্ট ব্যাংকের পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এদিকে গত ৬ আগস্ট ঈশ্বরদীর ব্যবসায়ী আবদুল মান্নান টিপুর করা ১০ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় সুমনকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেন পাবনার প্রথম যুগ্ম দায়রা জজ আদালত। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়।
মামলা ও সাজা থাকার পরও গত ১৬ আগস্ট সুমনকে ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সদস্যসচিব করা হয়। এ নিয়ে স্থানীয় বিএনপির একটি অংশের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু বলেন, ‘আইনের তোয়াক্কা না করে ক্ষমতার জোরে দণ্ডপ্রাপ্ত ও পলাতক আসামিকে দলীয় পদে বসিয়েছেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব। এটি দলের জন্য বিব্রতকর।’
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মাকসুদুর রহমান মাসুদ খন্দকার বলেন, ‘আইনগতভাবে দণ্ডপ্রাপ্ত হলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নেতৃ
Leave a comment