২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ থেকে ইংল্যান্ডের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে সেমিফাইনালেই। তবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-১ গোলে হারের পর মাঠের একটি ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার ভ্যালেন্তিন বার্কোর মাথায় আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে ইংল্যান্ডের তারকা মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ফিফা তদন্তে নামলে ভবিষ্যতে নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়তে পারেন তিনি।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত সেমিফাইনাল শেষে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা যখন জয় উদযাপন করছিলেন, তখন টেলিভিশন ক্যামেরায় বেলিংহ্যাম ও বার্কোর মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত ধরা পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, বেলিংহ্যাম বার্কোর মাথায় আঘাত করেন। পরে দুই দলের অন্য খেলোয়াড়রা দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ ঘটনায় এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত জানায়নি ফিফা। তবে সংস্থাটির শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী, ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও কোনো খেলোয়াড় সহিংস বা অসৌজন্যমূলক আচরণে জড়ালে তার বিরুদ্ধে তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
ফিফার ডিসিপ্লিনারি কোড অনুযায়ী, ম্যাচ কর্মকর্তাদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কিংবা ভিডিও ফুটেজসহ অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে সংস্থার ডিসিপ্লিনারি কমিটি নিজ উদ্যোগেও তদন্ত শুরু করতে পারে। পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক শৃঙ্খলাভঙ্গের মামলা করা হতে পারে।
এ ধরনের ঘটনায় দোষী প্রমাণিত হলে খেলোয়াড়কে ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, আর্থিক জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তির মুখোমুখি হতে হতে পারে। শাস্তি শুধু চলমান টুর্নামেন্টেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; প্রয়োজনে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক ম্যাচেও তা কার্যকর হতে পারে।
তবে এখন পর্যন্ত ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি যে বেলিংহ্যামের বিরুদ্ধে কোনো তদন্ত শুরু হয়েছে। সংস্থাটি প্রথমে ঘটনাটি তদন্তের উপযুক্ত কি না, তা মূল্যায়ন করবে। এরপর প্রয়োজন মনে করলে শৃঙ্খলাভঙ্গের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করবে।
বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই বেলিংহ্যাম-বার্কো ঘটনার পরিণতির দিকে এখন নজর ফুটবলপ্রেমীদের।
Leave a comment