ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, তার দায়িত্বকালীন সময়ে কোনো প্রসিকিউটর বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “আমরা প্রমাণ করে দেবো এই ট্রাইব্যুনাল পুরোপুরি দুর্নীতিমুক্ত। এখানে আন্তর্জাতিক মানের বিচার চলবে। এর বাইরে অন্য কোনো আলোচনা আমরা প্রশ্রয় দেবো না।” তিনি আরও বলেন, আইন অনুযায়ী ট্রাইব্যুনাল পরিচালনা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। বিচার কার্যক্রমে গতি বৃদ্ধির পাশাপাশি স্বচ্ছতা বাড়ানোর দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি নিয়ে প্রসিকিউশন টিমের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আমিনুল ইসলাম জানান, ইতোমধ্যে ২৪টি মামলার ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে ২১টি মামলার বিচার কার্যক্রম দুটি ট্রাইব্যুনালে চলমান।
তবে এসব মামলার বিষয়বস্তু তিনি এখনো পর্যালোচনা করেননি। এজন্য সব মামলার নথি তার কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তদন্তে কোনো ত্রুটি বা ঘাটতি পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে ট্রাইব্যুনালের।
Leave a comment