প্রধানমন্ত্রী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশে প্রায় পৌনে তিন কোটি কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, কৃষকদের তথ্যভিত্তিক সেবা নিশ্চিত করতে এবং সরকারি সহায়তা সরাসরি তাদের কাছে পৌঁছে দিতে এই কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষি খাতকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের পরিচয়, জমির তথ্য, উৎপাদন সংক্রান্ত উপাত্ত এবং সরকারি প্রণোদনা সহজেই ব্যবস্থাপনায় আনা সম্ভব হবে। এতে করে ভর্তুকি, ঋণসহ নানা সুবিধা দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষকদের অবদান অপরিসীম। তাই তাদের জন্য পরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি সহায়তা কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে। কৃষক কার্ড প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কৃষকদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং নীতিনির্ধারণেও সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।
সরকারের এই উদ্যোগকে কৃষি বিশেষজ্ঞরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন, এর মাধ্যমে কৃষকদের প্রাতিষ্ঠানিক সেবার আওতায় আনা সহজ হবে এবং কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়বে।
প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর কৃষকদের মধ্যেও আশাবাদ তৈরি হয়েছে। তারা আশা করছেন, প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে এবং এর সুফল তারা বাস্তবে ভোগ করতে পারবেন।
Leave a comment