পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট। রাজধানীসহ বিভাগীয় শহর ও জেলা পর্যায়ের অস্থায়ী ও স্থায়ী হাটগুলোতে ইতোমধ্যে আসতে শুরু করেছে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ। হাটে পশুর সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতাদের উপস্থিতিও বাড়ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ট্রাক ও পিকআপে করে পশু আনা হচ্ছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল, কুষ্টিয়া, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও চট্টগ্রাম অঞ্চল থেকে বড় আকারের গরু বেশি আসছে। অনেক খামারিও নিজস্বভাবে পশু নিয়ে হাটে আসছেন।
হাট ঘুরে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি। ক্রেতারা সাধ্যের মধ্যে ভালো পশু কেনার চেষ্টা করছেন। তবে এবার পশুখাদ্যের দাম বৃদ্ধি ও পরিবহন খরচ বাড়ায় আগের তুলনায় পশুর দাম কিছুটা বেশি বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
রাজধানীর কয়েকটি পশুর হাটে আসা ব্যবসায়ীরা বলেন, খামারে পশু লালন–পালনে খরচ বেড়েছে। তাই ন্যায্যমূল্য না পেলে লোকসানের আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে ক্রেতাদের দাবি, দাম এখনো অনেক বেশি চাওয়া হচ্ছে। ঈদের আরও কাছাকাছি সময়ে দাম কিছুটা কমতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে।
এদিকে পশুর হাটকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করেছে প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি ভেটেরিনারি টিমও কাজ করছে। অসুস্থ পশু শনাক্ত, জাল টাকা প্রতিরোধ এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন পদক্ষেপ।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার দেশে কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। তাই চাহিদার তুলনায় পশুর সংকট হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে হাটে বেচাকেনা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।
Leave a comment