মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেছেন, পতিত স্বৈরাচার ও গুপ্তরা দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। তারা পূজামণ্ডপকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। এ জন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার আব্দুল ওয়াসেক মিলনায়তনে শারদীয় দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে উদ্যাপন ও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক বিশেষ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের জননী ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি দেশে আসবেন। আসুন, সমস্যা কী? জনগণ চাইলে আসবেন। দেশটাকে নরকে পরিণত করে এখনো ক্ষান্ত হননি। পরিবেশ ঘোলা করতে চাইলে দেশের মানুষ বসে থাকবে না।’
মাদকবিরোধী কার্যক্রমের বিষয়ে সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু বলেন, সারা দেশে মাদকের ভয়াবহতা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলের আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন। এ আন্দোলনে সবাইকে শামিল হয়ে নিজেদের পরিবারকে রক্ষা করতে হবে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়েও সতর্ক করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, সারা দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সবাইকে সতর্ক থেকে পূজার উৎসব পালন করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা সমন্বয়ের মাধ্যমে উৎসব নির্বিঘ্ন করতে কাজ করবেন।
অনুষ্ঠানে ২০১টি পূজামণ্ডপে সরকারি তহবিল থেকে ৬০০ কেজি করে চাল এবং ঢাকা জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাক ও ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াছিন খন্দকার, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম, উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কমল কান্তি সরকার, সাধারণ সম্পাদক স্বপন কুমার সরকার, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকার, ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানসহ আনসার বাহিনীর প্রতিনিধিরা।
সভায় শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন ও পূজা উদ্যাপন পরিষদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
Leave a comment